TOP NEWS

শত্রুকে তার ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে: হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

ডেইলি ডোমকল, ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে। ইরানের ইসলামি রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (IRGC) ঘোষণা করেছে, শত্রু পক্ষের যেকোনো অপরাধের জবাব দেওয়া হবে সমান কঠোরতায়। শুক্রবার কুদস দিবসের প্রাক্কালে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’ (Operation True Promise 4)-এর ৪১তম ঢেউ শুরু করেছে ইরান। ‘ইলা বায়তুল মুকাদ্দাস’ (জেরুজালেমের দিকে) কোড নামে পরিচালিত এই সামরিক অভিযানে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ওয়ানা (WANA) নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর আক্রমণ পরিচালনা করা হয়েছে। এই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে ফাত্তাহ হাইপারসনিক প্রিসিশন মিসাইল, খোররামশাহর, কদর এবং খাইবর শ্যাকান ক্ষেপণাস্ত্র।

আইআরজিসি-র ৩৪ নম্বর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শেখ জায়েদ রোডে মার্কিন বাহিনীর সমবেত হওয়ার স্থান এবং আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আল-জাফরা বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত ইউএস মেরিনদের বাসস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকে অবস্থিত ভ্রাম্যমাণ মার্কিন ঘাঁটি এবং তেল আবিবে ইসরায়েলি বাহিনীর জমায়েতস্থলগুলোতে চালানো হয়েছে তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ। আইআরজিসি-র দাবি, তাদের ছোঁড়া খাইবর শ্যাকান ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এক টন ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং কদর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি স্পষ্ট করেছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং ইসরায়েলের ‘নিষ্ঠুর কৌশল ও কর্মকাণ্ডের’ প্রতিক্রিয়ায় তারা তাদের হামলার পরিকল্পনা নতুন করে সাজিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা এখন যুদ্ধক্ষেত্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমাদের অপারেশনাল ক্ষেত্র শত্রুর তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত। শত্রুর অপরাধের যেকোনো পর্যায়ের জবাব বিনা দ্বিধায় দেওয়া হবে।” বিশেষ করে, এই অভিযানটি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরের মতো ‘শক্তির শহিদদের’ স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!