ডেইলি ডোমকল, ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকাশ্যে তলোয়ার ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র বিতরণের অভিযোগ উঠেছে হিন্দু রক্ষা দলের বিরুদ্ধে। কট্টরপন্থীদের দাবি, মুসলিমদের ‘টার্গেটেড হিংসাত্মক হামলা’ থেকে আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেই অস্ত্র বিলির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের ঘটনা। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, আগ্নেয়াস্ত্রের একটি স্টল বসিয়ে সংগঠনের সদস্যরা ভবিষ্যৎ হামলার জন্য নিজেদের তৈরি থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন। ভিডিওতে তলোয়ার উঁচিয়ে হুমকি দিতে দেখা যায় হিন্দু রক্ষা দলের সদস্য অমিত প্রজাপতিকে। তিনি মুসলিমদের ‘বাংলাদেশি’ বলে আখ্যা দিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। ভিডিওতে অমিত প্রজাপতিকে বলতে শোনা যায়, “এই ভিডিও যেন সব জিহাদি, বাংলাদেশি আর পাকিস্তানিদের কাছে পৌঁছে যায়। হিন্দু রক্ষা দল যদি তাদের খুঁজে পায়, তবে বাংলাদেশে আমাদের এক হিন্দু ভাইকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই তাকে নগ্ন করে খানে চকে নিয়ে গিয়ে একইভাবে আচরণ করা হবে।”
ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজিয়াবাদ পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে। ১৬ জন নাম উল্লেখ করে এবং প্রায় ৩০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। সহকারী পুলিশ কমিশনার অতুল কুমার সিং জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে হিন্দু রক্ষা দলের জাতীয় সভাপতি পিঙ্কি চৌধুরীর নামও রয়েছে। তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত ১০ জনের গ্রেফতার নিশ্চিত করা হয়েছে। তদন্ত চলমান থাকবে। ঘটনাস্থলে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
