——————————————————————————-

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বামপন্থী না হয়ে দক্ষিণপন্থী হলেও এই হামলাটা হতো। কারণ, তিনি ভেনেজুয়েলার বিপুল খনিজ সম্পদ মার্কিনিদের দখল করতে দেননি। হাসিনাও বাংলাদেশে মার্কিন ঘাঁটি তৈরী করতে অসম্মত ছিলেন। তাই তাঁকেও সরতে হয়েছে। তফাৎ হলো, মাদুরোর জনপ্রিয়তার ফলে চরম দক্ষিণপন্থী মাচাদোকে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাইয়ে দিয়েও বিকল্প হিসাবে খাড়া করা যায়নি। তাই, সরাসরি মার্কিন হামলা। বাংলাদেশে কিন্তু দীর্ঘ অপশাসনের কারণে হাসিনার বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ ছিল। তাঁকে সুকৌশলে ব্যবহার করে গণঅভ্যুত্থানের আড়ালে কার্যত সামরিক ক্যু’র মাধ্যমে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। মার্কিনি নীলনকশা বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিল বাংলাদেশের ইসলামী মৌলবাদী শক্তি।
এই তথাকথিত গণ অভ্যুত্থানের পরেই পরিচিত মার্কিন এজেন্ট নোবেল শান্তিকে “মেটিক্যুলাস ডিজাইন” অনুযায়ী উড়িয়ে এনে ক্ষমতায় বসানো হয়, যিনি ঘোষণা দেন বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন হলো। গত দেড় বছর যাবৎ “স্বাধীন” বাংলাদেশের চিত্র আমাদের সামনে ক্রমশ প্রস্ফুটিত হচ্ছে। একইভাবে মার্কিন হামলার মাধ্যমে মাদুরোর পতনের পর ভেনেজুয়েলার নোবেল শান্তিও বলতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা এবার স্বাধীন হয়েছে। গল্পের বাকিটা এখন দেখার ও শোনার অপেক্ষা।
(সামাজিক মাধ্যম থেকে সংগৃহীত)
