ডেইলি ডোমকল, ডিজিটাল ডেস্ক: আজ (শনিবার) রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে এসআইআরের শুনানি পর্ব। রাজ্যের ৩,২৩৪ কেন্দ্রে এই শুনানি করা হবে। বাংলার ৩১.৩৮ লক্ষ ভোটারকে নোটিস জারি করে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুনানি পর্বে ডাক পাওয়া ভোটার প্রামাণ্য নথি হিসাবে যা জমা দেবেন, তার যথার্থতা প্রমাণে সব থেকে বেশি জোর দিতে বলা হয়েছে। এই মর্মে নির্দেশিকা দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
জানা গিয়েছে, শুনানিতে কোনও জাল বা ভুল নথি বা তথ্য জমা দিলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩১ নম্বর ধারা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কারাবাস ও জরিমানা হওয়ার বিধান রয়েছে। কমিশন বলছে, শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারদের হাজিরা পৃষ্ঠায় সই করা বাধ্যতামূলক। সেই সইয়ের সঙ্গে এনুমারেশন ফর্মে করা সই মিলিয়ে দেখা হবে এআই নির্ভর সফটওয়্যারের সাহায্যে। শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট ভোটারের ছবি তুলে সেই ছবি এবং এনুমারেশন ফর্মে দেওয়া তথ্য আপলোড করা হবে ‘ইআরও-নেট’ পোর্টালে। আপলোড করা হবে ভোটারের প্রমাণস্বরূপ জমা দেওয়া নথিও। ছবি, সই, নথি সব যাচাই করবে নির্বাচন কমিশন।
কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ১১টা টেবিল বা কক্ষে শুনানি হবে। শুনানিতে থাকবেন বিএলও, ইআরও, এইআরও এবং মাইক্রো অবজার্ভাররা। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি কোনও বিএলএ-কে শুনানির সময় থাকতে পারবেন না। কমিশনের সিদ্ধান্ত, ৮৫ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ ভোটারদের ক্ষেত্রে বাড়ি গিয়ে শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শুনানি প্রক্রিয়া চলার মাঝেই সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া মানুষদের ৬ নম্বর ফর্মের সাহায্যে ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজও শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রথম দফার এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে খসড়া তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। রাজ্যজুড়ে বাদ পড়ে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ২৪টি জেলায় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জন ভোটারের নাম খসড়া তালিকায় নেই।
