ডিডি, ডিজিটাল ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শনিবার ভোররাতে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং রাজধানীর আকাশে নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া যুদ্ধবিমান দেখা যায়। একাধিক রাজ্যে বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। ভেনেজুয়েলায় হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে বড়সড় সামরিক অভিযান চালিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে দেশ থেকে বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযান মার্কিন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সমন্বয়ে পরিচালিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় নির্ধারিত একটি সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।
এদিকে ভেনেজুয়েলায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন বিদেশ দফতর। শনিবার ভোরে দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে এবং ঘরের মধ্যেই থাকতে বলা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কলম্বিয়ার বোগোতায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস “ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস ও তার আশপাশে বিস্ফোরণের খবর সম্পর্কে অবগত।” পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের ভেনেজুয়েলা সফর না করার পরামর্শ দিয়ে আসছে। বিদেশ দফতরের মতে, ওই দেশে বেআইনি আটক, হেফাজতে নির্যাতন, সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ, স্থানীয় আইনের ইচ্ছামতো প্রয়োগ, অপরাধ, গৃহদ্বন্দ্ব এবং দুর্বল স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ঝুঁকি রয়েছে। ট্রাম্পের দাবির পর আন্তর্জাতিক মহলে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
