নিজস্ব সংবাদদাতা, ডোমকল: ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের সঙ্গে মারমুখী আচরণ ও অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগকে ঘিরে বুধবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল ডোমকল বিডিও অফিসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। সেই ঘটনায় এবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন ডোমকলের বিডিও শঙ্খদীপ দাস। বৃহস্পতিবার ডোমকল থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সূত্রের খবর, লিখিত অভিযোগে বিডিও উল্লেখ করেছেন, তাঁকে মারধরের চেষ্টা করা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পাশাপাশি অফিসের গেট ভাঙা সহ সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। ডোমকলের বিডিও বলেন, “গতকালের ঘটনা নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। রাহুল খান ও প্রসেনজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি।” প্রসঙ্গত, ডোমকলের তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ ঘোষ এবং যুব নেতা রাহুল খান।
Aslo Read: প্রকাশ্যে বিডিও-সভাপতি দ্বন্দ্ব: প্রশাসনিক দপ্তরে ধুন্ধুমার
এদিকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে ডোমকল থানার পুলিশ। ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু হয়েছে বলে খবর। ডোমকলের এক পুলিশ আধিকারিক ডেইলি ডোমকল-কে জানিয়েছেন, “আজ বিডিও সাহেব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।”
উল্লেখ্য, বুধবার ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। সেই মিটিংয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন আবাস যোজনা প্রকল্পের টেন্ডার ও কাজের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাহানা বিশ্বাস ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ একসঙ্গে বিডিও শঙ্খদীপ দাসের কাছে জানতে চান। অভিযোগ, প্রশ্নের জবাবে বিডিও আচমকাই উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং অশ্লীল ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন। এমনকি তিনি পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের দিকে মারমুখী হন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অভিযোগ, বিডিওর আচরণের প্রতিবাদে একাধিক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বিডিওর কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে বিডিও অফিস চত্বরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

Good job mr BDO ,Rahul khan is a bangladesh supported terrorist.