TOP NEWS

দরজা বন্ধ হওয়ার ফলে কেউ নামতে পারেননি: কর্নাটক বাস দুর্ঘটনায় এক প্রত্যক্ষদর্শী

(Photo Courtesy: X)

ডেইলি ডোমকল, ডিজিটাল ডেস্ক: বড়দিনের ভোররাতে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল কর্নাটক। একটি বেসরকারি ট্রাভেল বাস ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জনেরও বেশি যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সংঘর্ষের পর বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আদিত্য নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, দুর্ঘটনার সময়ে বাসের মধ্যে থাকা যাত্রীরা সকলেই ঘুমোচ্ছিলেন। খুব জোরে বাসটি চলছিল। হঠাৎই খুব জোরে একটি শব্দ শুনতে পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই সিট থেকে পড়ে যান আদিত্য। প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, চারপাশে আগুন জ্বলতে দেখেন। বাসের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেউ নামতে পারেননি। বাসের জানালা ভেঙে বেরোনোর চেষ্টা করেন কেউ কেউ। কিন্তু চারিদিকে আগুন জ্বলতে থাকায় বাস থেকে নামাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

জানা যায়, বেঙ্গালুরু থেকে শিবমোগা হয়ে গোকর্ণগামী বাসটি ভোর প্রায় তিনটে নাগাদ হিরিয়ুর গোরলাট্টু ক্রসের জাভানাগোন্ডানহাল্লি এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা মারলে সঙ্গে সঙ্গেই বাসে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই লরি চালকের মৃত্যু হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৩০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। খবর পেয়ে দ্রুত দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সচিন নামে এক ব্যক্তি দুর্ঘটনার সময়ে রাস্তাতেই ছিলেন। তিনি বলেন, বাসটি তাঁকে ওভারটেক করে এগিয়ে যায়। অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছুটে এসে রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। উল্টো দিক থেকে আসা একটি লরি ধাক্কা মারে বাসটিতে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে বাসটিতে।

এদিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুমারস্বামী বি.টি জানান, অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ৯ জনকে তুমকুরু সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে লরি চালকের অবহেলাকেই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। মৃতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!