ডেইলি ডোমকল, ডিজিটাল ডেস্ক: নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন স্থাপন এবং প্রথম মানব মহাকাশ অভিযান ‘গগনযান’-এর লক্ষ্যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে ভারত। সোমবার বিহারের সমস্তিপুরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই বড় ঘোষণা করেন ইসরোর (ISRO) প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি জানান, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, দুর্যোগ মোকাবিলা, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং গগনযান মিশনের সংকেত আদান-প্রদানের জন্য বর্তমানে প্রায় ৮০টি কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির কাজ চলছে।
গগনযান ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
ইসরোর শীর্ষ আধিকারিক ইমতিয়াজ আহমেদের মতে, ভারত বর্তমানে গগনযান মিশনের পাশাপাশি আর্থ অবজারভেশন বা পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, নেভিগেশন (NVS), ইন্ডিয়ান ডেটা রিলে স্যাটেলাইট সিস্টেম (IDRSS) এবং শুক্র অভিযান বা ভেনাস অরবিটার মিশনের মতো একাধিক বড় প্রকল্পের ওপর কাজ করছে। এই মিশনগুলো মহাকাশ বিজ্ঞানে ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
আর্যভট্টের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন
ভারতের প্রথম দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘আর্যভট্ট’-এর ৫০ বছর পূর্তি বা সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সমস্তিপুরের ‘হলি মিশন হাই স্কুল’-এ একটি প্রচারমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল আর্যভট্টের উৎক্ষেপণ ছিল ভারতের বিজ্ঞান যাত্রার একটি মাইলফলক। ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “শীতল যুদ্ধের সময় সীমিত পরিকাঠামো নিয়েও আর্যভট্টের সাফল্য ইসরোকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।”
পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা
এই অনুষ্ঠানে পাঁচটি বিদ্যালয়ের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞানীদের অনেকেই জানান যে, তাঁরা হিন্দি মাধ্যম বা সাধারণ স্কুল থেকে পড়াশোনা করে আজ ইসরোর মতো সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এর মাধ্যমে তাঁরা পড়ুয়াদের বড় স্বপ্ন দেখা এবং মহাকাশ বিজ্ঞানে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য উৎসাহিত করেন।
