TOP NEWS

আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন, ডিলিমিটেশনের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

ডেইলি ডোমকল, ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার (KMC) নির্বাচন সম্পন্ন করার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার পুরসভা ভবনে কলকাতা অঞ্চলের সাংসদ, বিধায়ক, বিদায়ী কাউন্সিলার এবং পুরসভার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি জানান, পুরসভা এলাকার ওয়ার্ডগুলির ডিলিমিটেশন বা সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ হওয়ার পরপরই এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে কিছুদিন আগেই কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্তমান পুর বোর্ডের মেয়াদ থাকলেও, মেয়রের আকস্মিক পদত্যাগের কারণে নিয়ম অনুযায়ী পুর বোর্ড ভেঙে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরসভার দৈনন্দিন ও জরুরি কাজকর্ম সচল রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে কলকাতা পুরসভার নতুন ‘প্রশাসক’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনিই পুরসভার সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন।

পুর বোর্ড ভেঙে গেলেও শহরের সাধারণ মানুষের পরিষেবামূলক কাজে যাতে কোনো ধরণের খামতি না থাকে, তার জন্য বিদায়ী সমস্ত কাউন্সিলারকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এলাকার সমস্ত উন্নয়নমূলক ও নাগরিক পরিষেবার কাজে পুরসভার বর্তমান প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডেকে সব রকমভাবে সাহায্য করার জন্য কাউন্সিলারদের বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এক সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে, এখন থেকে সংশ্লিষ্ট পুরসভা এলাকার বিধায়করা নাগরিকদের প্রয়োজনীয় শংসাপত্র বা সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারবেন।

এ দিনের বৈঠকে কলকাতা পুরসভা এলাকায় ডিলিমিটেশন বা বুথ ভিত্তিক এলাকা পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি যেহেতু ভবানীপুর কেন্দ্রে লড়াই করেছি, তাই সেখানকার পরিস্থিতি খুব ভালো করে দেখেছি। সেখানে ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে একাই ৪৯টি বুথ রয়েছে, অথচ বহু ওয়ার্ড এমনও আছে যেখানে বুথসংখ্যা ২০টিরও নীচে। এই বৈষম্য দূর হওয়া দরকার। আমরা বৈঠকে উপস্থিত সবাই একমত হয়েছি যে ডিলিমিটেশন হওয়া উচিত। রাজ্য সরকার এই বিষয়ে সুপারিশ পাঠাবে এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন আইন মেনে এই কাজটা করবে। যাদের যা কাজ, তারা সেই অনুযায়ী এগোবেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!